বিজ্ঞান কি ভূতে বিশ্বাস করে? Are science believe ghost?#ghost#cryptoquestionfestival.code.blog #Mdamiyohasanlaskar

ভূত এই জিনিসটা বেঁচে আছে কিছু ধর্মীয় গ্রন্থে , কিছু মানুষের বিশ্বাসে এবং লেখকদের লেখা গল্পে। অনেক আগে থেকে এফএম প্রিয় মানুষদের বিনোদন এর মূল এই ভূত। শূক্র এবং শনিবার ছিলো শুধু রাত বারোটার প্রতিক্ষা। ভূতে ভয় পাওয়া মানুষগুলোও খুব করে শুনতো সে সব গল্প। তবে যে ভূত নিয়ে এত জল্পনা-কল্পনা সে ভূত কি সত্যিই আছে? বিজ্ঞান এর এই জগতে কিছু মানুষের বিশ্বাস ভূত বলতে আসলে কিছুই নেই। তবে বেশিরভাগই বিশ্বাস করে ভূত আছে।

পৃথিবীর ৫০% মানুষ বিশ্বাস করে ভূত আছে। ২০% বলে ভূত নেই। বাকিরা দুই নৌকার মাঝি। হিন্দু ধর্মে ভূত আছে বলে লেখা। তাতে অপঘাতে যারা মারা যায় তাঁরাই ভূত হয়ে যায়। তাদের জন্য আলাদা ভূত লোকও আছে। আবার ইসলাম ধর্মে ভূত মানে জীন। আল্লাহ তাআলা এদের সৃষ্টি করেছেন। এরা সৃষ্টির আলাদা সম্প্রদায়। এদের মধ্যে পরীও আছে। জীনের কয়েকটি জাত হলো: জ্যান, ঘোল ও কারিম। এদের মধ্যে জ্যান জাতি মানুষের উপকার করে থাকে। আরব্য রজনীর আলাদীনের আশ্বচর্য প্রদিপে এই জ্যান জাতির জীনই ছিলো। জীন সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বিপজ্জনক জাতি হলো ঘোল। তবে এরা কিছুটা বোকা হওয়ায় সহজেই এদের থেকে বাঁচা যায়। এরা মূলত ব্রীজে থাকে। তাই আপনি যদি ভূতে বিশ্বাস করেন তাহলে রাতে ব্রীজ পার হতে সাবধান। কারিম জীন প্রত্যেকটি মানুষের সাথেই থাকে। এরা হুবহু সঙ্গে থাকা মানুষের মতো দেখতে হয় এবং মানুষের মৃত্যুর পরও এরা লাশের সাথেই থাকে। তাই কখনো যদি রাতে কোথাও কোনো মৃতো ব্যাক্তির মতো কাউকে দেখতে পান তাহলে বুঝবেন এটা কারিম জীন।

তবে আরও অনেক জাতিই আছে জীন সম্প্রদায়ে। এদের মধ্যে এক জাতি মানুষের রূপ নিয়ে পড়াশোনা, কাজকর্ম ও মানুষের সাথে সংসারও করে। দেও, পেত্নী, কল্লাকাটা খুবই ভয়ানক। আজব সব গল্প ও আছে এদের নিয়ে। যা শুনলে শিউরে উঠবে আপনার শরীর। অনেক মানুষ দাবি ও করে তারা ভূত দেখেছে। আবার অনেক কবিরাজ তো নাকি জীনও পালে। বহু মানুষের বক্তব্য তারা এ থেকে উপকৃত। একজনের কাজ হওয়া কাকতালীয় কিন্তু বেশিরভাগেরই কাজ হওয়াটা মোটেই কাকতালীয় নয়।

এবার আসা যাক বিজ্ঞান কি বলে? কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ছাড়া অতিন্দ্রীয় ও পৌরাণিক কাহিনী বিজ্ঞান বিশ্বাস করে না। তবে আজকাল অনেক ghost hunters টিম বিজ্ঞানের তৈরি করা যন্ত্র দিয়েই ভূতের অস্তিত্ব প্রমাণ করছে। তাপমাত্রা, কোনো ম্যাগনেটের সিগন্যাল, তাদের উপস্থিতি প্রমাণে সাড়া দিতে আহ্বান করলে সাড়া দেওয়া ও যন্ত্রের অস্বাভাবিকতার দ্বারা তারা ভূতের অস্তিত্ব প্রমাণ করে।‌ পৃথিবীর এমন অনেক জায়গায়ই আছে যেখান থেকে আর কখনোই ফিরে আসে নি। এমন সব রোমাঞ্চ পূর্ণ ভৌতিক জায়গায়তেই এই সব ghost hunters রা তাদের ভৌতিক পরীক্ষা চালায়। তবে এত কিছুর পরও বিজ্ঞানীরা ভূত বলতে কোনো paranormal activity বিশ্বাস করতে চান না। তাদের একটাই কথা এসব ভুয়া ও বানোয়াট গল্প।

তবে ভূত বিশ্বাস করুন আর নাই করুন। আমরা বাঙালিরা ভূতের গল্প শুনতে খুব মজা পাই এবং রাতের বেলা বাথরুমে যেতে ভয় পাই। আপনি কি বিশ্বাস করেন ভূত অথবা ভালো কি লাগে ভূতের গল্প শুনতে ও পড়তে? জানান কমেন্টের মাধ্যমে ‌।

Writer: MD Amiyo Hasan Laskar.

Facebook link: https://www.facebook.com/profile.php?id=100081051165472.

Site: Crypto Question Festival.

link: http://www.cryptoquestionfestival.code.blog

Follow and comment, like and share our blog. Your follow give me inspiration.

One response to “বিজ্ঞান কি ভূতে বিশ্বাস করে? Are science believe ghost?#ghost#cryptoquestionfestival.code.blog #Mdamiyohasanlaskar”

  1. […] বিজ্ঞান কি ভূতে বিশ্বাস করে? Are science believe ghost… […]

    Like

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started